ধর্মের নামে বাংলাদেশে আর রাজনীতি করা চলবে না: জয়নুল আবদিন ফারুক

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, যে মুহূর্তে বাংলাদেশ একটি নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, ঠিক তখনই একটি রাজনৈতিক দল— যারা ৫৫ বছর আগে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিল, যারা মায়ের বুক খালি করেছিল, আজকে আবার তারা ধর্মের নামে আমাদের মা-বোনদের ঘরে ঘরে গিয়ে বলছে, অমুক মার্কায় ভোট দিলে বেহেশত যাবেন।

সোমবার (১ ডিসেম্বর) বিকালে নোয়াখালী সেনবাগ উপজেলার কুতুবের হাট-বাজারে বেগম খালেদা জিয়ার জন্য এক দোয়ার অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, এ ধরনের কথা ইসলাম ধর্মের সত্য কথা নয়। ইসলাম ধর্ম এমন একটি ধর্ম, যা বিশ্বের দরবারে শ্রেষ্ঠ ধর্ম। তাই ধর্মের নামে বাংলাদেশে আর রাজনীতি করা চলবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘কারণ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছে এমন নেতা এখানে আছেন। আমরা অনেক মুক্তিযোদ্ধা আছি, আমরা যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। আমরা চাই স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও যোগাযোগ সব ক্ষেত্রে মানুষ যেন সচ্ছলভাবে জীবন যাপন করতে পারে।’জয়নুল বলেন, ‘আগামীতে যারা ধর্মের নামে ব্যবসা করছে, তাদের রুখতে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ঐক্যের ভিত্তিতে গড়ে তুলুন।

আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, আপনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সুস্থ করে দিন।’তিনি বলেন, ‘কেউ আমাকে পছন্দ করুক বা না করুক, আমি মনে করি শহীদ জিয়ার ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে যিনিই আসবেন, তাকে ভোট দেয়া আমাদের কর্তব্য। আমাদের মধ্যে হয়তো মতপার্থক্য থাকতে পারে, নেতৃত্বের গুণাগুণ নিয়ে ভিন্নতা থাকতে পারে, কিন্তু ধানের শীষ নিয়ে কোনো আপস নেই।’

বহিষ্কৃত ও পদত্যাগ করা ২৮ নেতাকে দলে ফেরাল বিএনপি

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও নীতি-আদর্শ পরিপন্থি কর্মকাণ্ডের অভিযোগে সারাদেশে ২৮ নেতার বিরুদ্ধে বহিষ্কারাদেশ ও পদ স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সোমবার (১৭ নভেম্বর) দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ইতোপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. তানভীর আহম্মেদ, মহানগর বিএনপির সাবেক অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মো. ছবদের হাসান, মহানগর বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক মাহবুবুর রশিদ খান শিপু, সাবেক সদস্য মো. আবুল হাশেম, খায়রুল আলম, মো. মনির হোসেন (মাটি মুনির); গাজীপুর মহানগরের বাসন মেট্রো থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. মনির হোসেন মনির, বাসন থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোসলেম উদ্দিন চৌধুরী মুসা, বাসন থানার অন্তর্গত ১৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম রাতা, গাজীপুর মেট্রো থানা বিএনপির সাবেক সদস্য আনোয়ার সরকার, ১১, ১২, ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফিরোজা আক্তার এবং ২৮, ২৯ ও ৩০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাসিনা আক্তার বীথি, ৩৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মো. মাহাফুজুর রহমান, ১৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহীন আলম, ১১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাড. আলম; বরিশাল দক্ষিণ জেলাধীন বাকেরগঞ্জ উপজেলার অন্তর্গত নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম মৃধা, দিনাজপুর জেলা বিএনপির উপদেষ্টা মো. রেজওয়ানুল ইসলাম রিজু, কুমিল্লা উত্তর জেলাদীন মেঘনা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. রমিজ উদ্দিন লন্ডনী, যুগ্ম আহ্বায়ক দিলারা শিরিন, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনিপর সাবেক সহ-স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম জুয়েল, নারায়ণগঞ্জ জেলাধীন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সহ-সভাপতি এস এম আসলাম, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক টি এইচ তোফা, হবিগঞ্জ জেলাধীন চুনারুঘাট উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ লিয়াকত হাসান, সিরাজগঞ্জ জেলাধীন বেলকুচি উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল, টাঙ্গাইল জেলাধীন মির্জাপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল- মামুন সিদ্দিকী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাধীন ভোলাহাট উপজেলা বিএনপির সাবেক কোষাধ্যক্ষ মো. কামাল উদ্দিন, ছাতক উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য মো. ইজাজুল হক রনিকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। আবেদনের প্রেক্ষিতে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক আজ তাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে প্রাথমিক সদস্য পদ ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ইতোপূর্বে হবিগঞ্জ জেলাধীন চুনারুঘাট উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ লিয়াকত হাসান স্বেচ্ছায় দল থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে তার পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য দিনাজপুর জেলাধীন ফুলবাড়ি উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ মো. খুরশিদ আলমের (মতি) স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে বিএনপির স্বপদে বহাল করা হয়েছে।

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে সংবিধানে ‘মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনর্বহাল করা হবে : সালাহউদ্দিন আহমদ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় ‘মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ সংবিধানের প্রস্তাবনা ও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে ছিল। সেটা পরবর্তীতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

বিএনপি ক্ষমতায় যেতে পারলে সেটি সংবিধানে পুনর্বহাল করা হবে।আজ শনিবার দুপুরে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আন্তর্জাতিক খতমে নবুওয়ত মহাসম্মেলনে প্রধান বক্তার বক্তব্যে সালাহউদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কওম হিসেবে, মুসলমান হিসেবে বিভক্তি এবং দুর্বলতার কারণে ফিলিস্তিনের গাজাবাসী, আরাকানের রোহিঙ্গাসহ সারা পৃথিবীতে মুসলমানদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হতে হচ্ছে।বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ, যদি বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতায়, সরকার পরিচালনার দায়িত্ব আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের দেয়, এ দেশের জনগণ যদি আমাদের মহব্বত করে দায়িত্ব দেয়, যদি আপনারা সবাই সহযোগিতা করেন, মঞ্চে উপবিষ্ট যারা রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পীরে কামেল, হজরত, ওলামায়ে কেরাম, আমাদের দেশের বুজুর্গানে দ্বীন যারা আমাদের পরিচালিত করেন, সবাই যদি আপনারা সহযোগিতা করেন, একসাথে থাকেন, তাহলে আপনাদের এখানে আজকে যে সমস্ত দাবি-দাওয়া আছে, আমরা সকল দাবি-দাওয়া এই প্রস্তাবের পক্ষে ইনশাআল্লাহ কানুনি ব্যবস্থা…’

তাঁর বক্তব্য শেষ হওয়ার আগেই মঞ্চ থেকে অনেকে এবং সামনে উপবিষ্টরা সালাহউদ্দিন আহমদকে নিজ মুখে ‘কাদিয়ানিদের’ কাফির ঘোষণার দাবি তুলে হইচই শুরু করেন।

তখন সালাহউদ্দিন আহমদ তাদের উদ্দেশে বলেন, ‘কানুনি সকল ব্যবস্থা জাতীয় সংসদে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে ইনশাআল্লাহ। এ জন্য সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। যাই হোক, আপনারা যে ভাষায় আমাকে কথা বলতে বলছেন, সেটি আইনের ভাষা নয়। আইনের ভাষা হচ্ছে এগুলো কার্যকর করার জন্য, এই প্রস্তাব গ্রহণ করার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। সারা দেশের মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমরা ইনশাআল্লাহ আপনাদের এই প্রস্তাব গ্রহণ করব।’

আহমদীয়াদের অমুসলিম ঘোষণা সময়ের দাবি: মহিবুল্লাহ বাবুনগরী

হেফাজতে ইসলামের আমির মহিবুল্লাহ বাবুনগরী বলেছেন, পৃথিবীর বহু মুসলিম রাষ্ট্র—যেমন পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া এবং আরও অনেক দেশ—কাদিয়ানী সম্প্রদায়কে রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা করেছে। মুসলমানদের আকিদা রক্ষার্থে বাংলাদেশেও একই সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি।

আজ শনিবার ১৫ নবেম্বর রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত মহাসম্মেলন তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ইসলামের ১৩ দফা দাবির একটি অন্যতম দফা হলো কাদিয়ানীদেরকে রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা করা। এ দাবি আমরা বহুদিন ধরে জানিয়ে আসছি।

বাবুনগরী আরও বলেন, কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণা করার বিষয়ে সরকারের প্রতি আমরা দৃঢ় দাবি জানাচ্ছি। এ দাবির কোনো বিকল্প আমরা চাই না। খতমে নবুয়তের আকিদার ব্যাপারে কোনো ছাড় নয়।তিনি ইসলামি জনমতের প্রতিফলন ঘটিয়ে সরকারের প্রতি দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের আহ্বান জানান।

গণভোটে আইন প্রণয়ন হয়ে যাবে না, জাতীয় সংসদ গঠিত হতে হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ

গণভোটের মধ্যে দিয়ে সংবিধান সংশোধন ও আইন করা সম্ভব নয়, প্রয়োজন নির্বাচিত সংসদ। এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।  

আজ শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) নারীর ওপর সহিংসতা ও অসম্মান: প্রতিরোধে প্রস্তুত সচেতন নারী সমাজ শীর্ষক মৌন মিছিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ মন্তব্য করেন তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কোন আইন বা আদেশ দিয়ে যেন সংসদের সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপ করা না হয় সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের বাইরে জবরদস্তি করে কিছু চাপিয়ে দেয়া হলে জনগণ তা বিবেচনা করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিএনপির এই নেতা বলেন, আমরা আমাদের দলের পক্ষ থেকে বলেছি, জুলাই জাতীয় সনদ যেভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে সেটা আমরা প্রতিপালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, অঙ্গীকারাবদ্ধ। জুলাই জাতীয় সনদ যেভাবে রচিত হয়েছে, গৃহীত হয়েছে, স্বাক্ষরিত হয়েছে আমরা অক্ষরে অক্ষরে পালনে অঙ্গীকারাবদ্ধ। 

এর বাইরে চাপিয়ে দেওয়া জবরদস্তিমূলক আর কোনো প্রস্তাব যদি দেওয়া হয়, জনগণ সেটা বিবেচনা করবে। গণভোটের মাধ্যমে একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনে জনগণের সম্মতি দেওয়ার জন্য যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে আমরা স্বাগত জানিয়েছি, যোগ করেন তিনি। 

সালাহউদ্দিন আরও বলেন, এটা আমাদের মনে রাখতে হবে, গণভোটের মধ্যে দিয়ে আইন প্রণয়ন হয়ে যাবে না, সংবিধান সংশোধন হয়ে যাবে না। তার জন্য এদেশে জাতীয় সংসদ গঠিত হতে হবে।

নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান হোক, সেটা আমরা চাই। এ জাতি চায়। আমরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে চাই। এই জাতির সমস্ত জনগণ সেই ভোটাধিকার স্বাধীনভাবে উৎসবমুখরভাবে প্রয়োগ করার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সার্বভৌমত্ব যাতে ক্ষুণ্ণ না হয়, সে জন্য আমরা কোনো আরোপিত আইন, আদেশ, জবরদস্তিমূলক প্রস্তাব দিয়ে জাতীয় সংসদের সার্বভৌমত্বকে আমরা হস্তক্ষেপ করাতে দিতে চাই না।

সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, যারা ধর্মের নামে ব্যবসা করে জান্নাতের টিকিট বিক্রি করে রাজনীতি করতে চায়, তারা চায় নারীরা ঘরের ভেতর থাকুক। তাই তারা নারীদের কর্মঘণ্টা কমিয়ে দিতে চায়, যার ফলে তারা ঘরের ভেতর থাকবে এবং প্রতিষ্ঠানের মালিকেরা নারীদের চাকরি দেবে না।

তিনি বলেন, দেশের অগ্রগতি চাইলে নারীদের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করতে হবে, নারীদের সামাজিক মর্যাদা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। ধর্মের ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য নয়, দেশে সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে