শিরোনাম: ⦿ মায়ের পচা-গলা লাশ উদ্ধার; একই বাসায় থেকেও জানতেন না মেয়ে, খবর রাখেনি ছেলেরা ⦿ বাবাকে ‘চাপ দিয়ে’ কেনা মোটরসাইকেল কাড়লো ছেলের প্রাণ ⦿ এবার মন্ত্রীকে ‘প্রিয় নবী’ বলে সমালোচনায় ফেনী জেলা পরিষদ প্রশাসক ⦿ একই ইউনিয়ন থেকে দুই মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য ⦿ ইরানে যুদ্ধে আমাদের যাওয়া উচিত হয়নি: ট্রাম্প ⦿ মোদিকে গুন্ডা বলায় উত্তরপ্রদেশে মুসলিম বৃদ্ধ গ্রেফতার ⦿ ঈদের দ্বিতীয় দিনেও চলছে পশু কুরবানি ⦿ ভারতে ঈদগাহে নামাজের অনুমতি পাওয়া যাচ্ছে না, আতঙ্কে মুসলিমরা ⦿ আদ-দ্বীনে ৬ নবজাতকের মৃত্যু, কারণ জানতে তদন্তে সিআইডি ⦿ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালে

ভোটে জিতে হাঁস কোলে সংবাদ সম্মেলনে রুমিন ফারহানা

স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন । তিনি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি-জোট সমর্থিত প্রার্থী জুনায়েদ আল হাবীবকে ৩৮ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন।

 

‘হাঁস’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা রুমিন ফারহানা পেয়েছেন এক লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭টি ভোট। অপরদিকে ‘খেজুর গাছ’ প্রতীকে লড়া জুনায়েদ আল হাবীব পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৪টি ভোট

বিজয় নিশ্চিতের পর শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নিজ বাড়িতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রুমিন ফারহানা। সেখানে তিনি প্রতীক হিসেবে হাঁস বেছে নেওয়ার পেছনের কারণ ও তার শৈশবের স্মৃতিচারণ করেন।

 

বিএনপি ছেড়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করা তার জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জের ছিল বলে জানান এই সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, আমার জার্নিটা কঠিন ছিল। কিন্তু তার চেয়েও কঠিন জার্নি ছিল আমার নেতাকর্মীদের। আমি যদি আজকে না জিততাম, আমায় হয়তো আবার ঢাকায় ফিরে যেতে হতো। আমি আমার পেশায় ফিরে যেতাম। আমার এতগুলো কর্মী, সবাই বহিষ্কার হয়ে গেছে। এই ১৭টা বছর তারা এত কষ্ট করেছে, এত শ্রম দিয়েছে, তারা ঘরে ঘুমাতে পারে নাই। তারা কেউ কষ্ট রাখে নাই মনে। সবাই খুশি। এই ভালোবাসার ঋণ কীভাবে শোধ করবো আমি?

 

তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের দিন দুপুরের পর বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোট ছাপানোর চেষ্টা করা হয়েছে এবং ফলাফল আটকে রাখারও অপচেষ্টা হয়েছে। জালিয়াপাড়া কেন্দ্রের ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জালিয়াপাড়া কেন্দ্রে আমি নিজে গিয়েও খেজুর গাছের কর্মীদের সাথে মারামারি করেছি। মারামারি করে আমি কেন্দ্রে ঢুকেছি। আবার ভোট গুনিয়েছি। কিছু ফলস ভোট পেয়েছি। এগুলো সবই চ্যালেঞ্জ।

 

নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি দলীয় প্রার্থী না। আমায় যদি এলাকায় আরেকবার নির্বাচন করতে হয়, কাজ করা ছাড়া আমার হাতে আর কোনো অপশন নাই। আমার নিজেকে টিকে থাকতে হলে কাজ করতেই হবে।

 

ভোটের প্রতীক হাঁস কেন বেছে নিলেন-জানতে চাইলে তিনি শৈশবের স্মৃতি তুলে ধরে বলেন, আমার অনেক হাঁস ছিল, মোরগ ছিল, কবুতর ছিল। আম্মুর বড় চাকরির সুবাদে আমরা বড় বড় বাসায় থাকতাম। এরপর তো আমরা ছোট অ্যাপার্টমেন্টে চলে গেলাম। তখন এই হাঁস-টাঁস পালা হলো না…কিন্তু এখানে (ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে) আমার হাঁস-মুরগি অনেককিছু আছে। ওদের সাথেই আমার অবসর সময় কাটে। হাঁসের সাথে তার এই স্মৃতি ও অভ্যাসের কারণেই তিনি এই প্রতীক বেছে নিয়েছেন বলে জানান।

 

Scroll to Top