চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া থানার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটকে রেখে বিক্ষোভ করেছে উত্তেজিত জনতা। অভিযুক্তকে নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবিতে শত শত মানুষ রাস্তা অবরোধ ও পুলিশের গাড়ি ঘেরাও করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে। এ সময় সংঘর্ষ ও গুলিতে একজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এলাকায় চরম থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছিল।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) সন্ধ্যায় বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটার বিসমিল্লাহ ম্যানশন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ বিকেলে ওই ভবনের সিঁড়িঘরে চার বছরের শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। এই খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শত শত স্থানীয় বাসিন্দা ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করতে বাকলিয়া থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়
বৃহস্পতিবার (২১ মে) সন্ধ্যায় বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটার বিসমিল্লাহ ম্যানশন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ বিকেলে ওই ভবনের সিঁড়িঘরে চার বছরের শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। এই খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শত শত স্থানীয় বাসিন্দা ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করতে বাকলিয়া থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ভবন থেকে বের করে নিয়ে আসার চেষ্টা করলে বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের গাড়িটি চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে। তারা আসামিকে পুলিশের হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়ে নিজেদের আদলতে বিচার করার দাবি জানাতে থাকেন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে পুলিশ সদস্যরা পিছু হটে অবস্থান নেন। উত্তেজিত জনতা পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন করা হয়। রাত আটটার দিকে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ শুরু করে। তবে রাত নয়টা পর্যন্ত পুলিশ ও স্থানীয়রা মুখোমুখি অবস্থানে ছিল এবং পুলিশ আসামিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যেতে পারেনি। টিয়ার শেলের ধোঁয়ায় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) দক্ষিণ বিভাগের উপকমিশনার হোসেইন মোহাম্মদ কবির ভুঁইয়া বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। শিশু নির্যাতনের ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তবে জনতাকে শান্ত করে আসামিকে হেফাজতে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

