Categories
Tips and Tricks

ঘরে বসে অনলাইনে হাজার হাজার টাকা আয় করার সেরা উপায়


Best Ways to Earn Money Online app Website Students

Ways to Earn Money Online: জীবনে বেঁচে থাকতে গেলে টাকা রোজগার করা একান্ত আবশ্যক, এবং অর্থ উপার্জনের ক্ষেত্রে চিরাচরিত পন্থাগুলির মধ্যে অন্যতম হল – পড়াশোনার পাঠ চুকিয়ে একটি ভালো চাকরি খোঁজা নতুবা একটি ব্যবসা শুরু করা। কিন্তু দুটি ক্ষেত্রেই পর্যাপ্ত সময় এবং কায়িক ও মানসিক শ্রম প্রদান করা বাধ্যতামূলক। অন্যদিকে, ব্যবসার ক্ষেত্রে মূলধন বিনিয়োগের বিষয়টিও রয়েছে। তবে এখনকার দিনে প্রায় সকলের হাতেই স্মার্টফোন থাকায় অনলাইনে উপলব্ধ বিভিন্ন অ্যাপ বা ওয়েবসাইটকে কাজে লাগিয়ে আজকাল ঘরে বসেই প্রচুর মানুষ বেশ ভালোরকম টাকা রোজগার করতে সক্ষম হচ্ছেন। আরও সহজে বললে, এখনকার ডিজিটাল যুগে হাতে একটি স্মার্টফোন ও অ্যাক্টিভ ইন্টারনেট কানেকশন থাকলেই সময়, কম মূলধন বা শ্ৰম ছাড়াও ঘরে বসেই টাকা আয় করা সম্ভব। আর সবথেকে বড়ো কথা হল, এর জন্য সবক্ষেত্রে বিশেষ কোনো কর্মদক্ষতা কিংবা উচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতারও প্রয়োজন নেই। এই প্রতিবেদনে আমরা ঘরে বসেই টাকা রোজগার করার সহজ কয়েকটি উপায়ের কথা (Ways to Earn Money Online) আপনাদেরকে জানাতে চলেছি।

ফ্রিল্যান্সিং কাজ (Freelancing Work)

বর্তমানে অনলাইনে অর্থ উপার্জনের (Earn Money Online) সবচেয়ে জনপ্রিয় উপায়গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হল ফ্রিল্যান্স জব (freelance work)। আপনার যদি প্রোগ্রামিং, এডিটিং, লেখালেখি, কিংবা ডিজাইনিংয়ের মতো কাজ জানা থাকে, তাহলে আপনি অনেক ওয়েবসাইটে যোগ দিতে পারেন। Freelance India, 99Designs, Upwork, Truelancer, Fiverr সহ অন্যান্য একাধিক ওয়েবসাইটগুলিতে এই ধরনের কাজের সন্ধান পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে বলে রাখি, ফ্রিল্যান্সিং জবের জন্য আপনার কাছে ল্যাপটপ এবং ইন্টারনেট কানেকশন থাকা বাধ্যতামূলক।

ইনস্যুরেন্স পিওএসপি হিসেবে কাজ করুন (Become an Insurance POSP)

আপনি যদি বাড়িতে বসে সহজে অর্থ উপার্জন করতে চান, তবে পিওএসপি (পয়েন্ট অফ সেলসপার্সন) হিসেবে কাজ করার কথা ভেবে দেখতে পারেন। যারা জানেন না তাদেরকে বলে রাখি, পিওএসপি এক ধরনের বীমা এজেন্ট যারা বীমা সংস্থাগুলির সাথে কাজ করে এবং পলিসি বিক্রি করে। এই কাজের জন্য আপনার কাছে একটি স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেট কানেকশন থাকা প্রয়োজন। তবে এক্ষেত্রে বলে রাখি, পিওএসপি এজেন্ট হতে গেলে আপনার বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হওয়ার পাশাপাশি আপনার কাছে দশম শ্রেণী পাসের ডিগ্রিও থাকতে হবে। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল, আইআরডিএআই (IRDAI) কর্তৃক প্রদত্ত ১৫ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ নিতে হবে। উল্লেখ্য যে, এই ধরনের বীমার কাজ থেকে আয় কমিশনের ভিত্তিতে হয়। অর্থাৎ, আপনি যত বেশি পলিসি বিক্রি করবেন, তত বেশি টাকা উপার্জন করতে পারবেন।

কনটেন্ট লেখার কাজ করুন (Content Writing)

আপনার যদি ভালো লেখার দক্ষতা থাকে, তবে আপনি অনলাইনে বিভিন্ন বিষয়ে কনটেন্ট লিখে প্রচুর টাকা উপার্জন করতে পারেন। আজকাল অনেক কোম্পানি তাদের কনটেন্ট আউটসোর্সিং করছে। সেক্ষেত্রে আপনি এমন একটি ওয়েবসাইটে নিজের নাম রেজিস্টার করতে পারেন যেটি অনলাইন কনটেন্ট লেখার কাজ সরবরাহ করে। এর জন্য আপনি Internshala, Freelancer, Upwork, Guru-র মতো সাইটগুলি ভিজিট করতে পারেন। সবচেয়ে বড়ো কথা হল, আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী বিষয়ের উপর লেখার সুযোগ পাবেন। ফলে আপনি কোনো ব্র্যান্ড, খাবার, ভ্রমণ কিংবা অন্য যে-কোনো বিষয়ে দুর্দান্ত কনটেন্ট লিখে মোটা টাকা ঘরে বসেই পকেটস্থ করতে পারবেন।

ব্লগিং শুরু করুন (Make your Blog)

আপনি যদি লিখতে ভালোবাসেন এবং আপনার পছন্দসই যে-কোনো বিষয়ে কনটেন্ট লেখার ক্ষেত্রে রীতিমতো পারদর্শী হন, সেক্ষেত্রে আপনি অন্যদের জন্য কনটেন্ট না লিখে নিজের একটি ব্লগও শুরু করতে পারেন। ওয়ার্ডপ্রেস (WordPress), মিডিয়াম (Medium), ওয়েবলি (Weebly) বা ব্লগার (Blogger) ইউজারদেরকে এই বিষয়ে ফ্রি কিংবা পেইড সার্ভিস প্রদান করে থাকে। কোনো বইয়ের রিভিউ, খাবারের রেসিপি, ভ্রমণ, শিল্পকলা, কারুশিল্প, ইত্যাদি যে বিষয়ে আপনার আগ্রহ রয়েছে, সেই বিষয়েই আপনি আপনার ব্লগ লিখতে পারেন। ভিজিটররা যদি আপনার সাইট দেখতে শুরু করেন, তাহলেই আপনি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। অর্থাৎ আপনি এই পদ্ধতিতে কত টাকা রোজগার করতে পারবেন, তা সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করবে আপনার সাইটের ট্র্যাফিক এবং পাঠকদের ওপর।

অনলাইন টিউটর হয়ে যেতে পারেন (Online Tutor)

আপনার যদি কোনো একটি বিষয়ে প্রচুর জ্ঞান থাকে, তাহলে আপনি অনলাইন টিউটর হিসেবে প্রচুর টাকা উপার্জন করতে পারবেন। বর্তমানে প্রতিটি ক্লাসের শিক্ষার্থীদেরই ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান, ইতিহাস সহ বিভিন্ন বিষয়ের পাশাপাশি নানান প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্যেও টিউটরের প্রয়োজন পড়ে। তাই আপনার কোনো বিষয়ে যথেষ্ট জ্ঞান থাকলে আপনি এই পদ্ধতিতে মোটা টাকা আয় করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে আপনি যে বিষয়টি পড়াবেন, তার ওপর নির্ভর করে আপনি প্রতি ঘণ্টায় টিউশন ফি চার্জ করতে পারবেন। আবার আপনি যদি চান, তাহলে ইউডেমি (Udemy) বা কোর্সেরা (Coursera)-র মতো একটি অনলাইন টিউটোরিয়াল প্ল্যাটফর্মে সাইন আপও করতে পারেন।



Source link

Leave a Reply