Categories
অনলাইন ইনকাম

ইউরোপ Europe যাওয়ার সহজ পক্রিয়া


 

ইউরোপ Europe যেতে চান বা যাবেন যারা তাদের জন্য আজকে একটি ব্যতিক্রমী লেখা লিখতে বসেছি। আশা করি আপনাদের কাজে লাগবে। অনেকের উপকারে আসবে বলে আমি মনে করি।

 

যা যা থাকছে আজকের লেখায়-

ইউরোপ Europe যাওয়ার সহজ পথ 2

ইউরোপ Europe কেন? 2

ইউরোপেই কি বেশি টাকা ইনকাম করা যায়? 2

উপায় কি? 3

কত টাকা লাগে ইউরোপ যেতে? 3

কিভাবে বা কোথায় পাবেন ইউরোপের ভিসা? 3

যেভাবে পাবেন জব অফার লেটার ঃ 4

ইউরোপের ভিসা পাওয়ার পর: 4

ইউরোপে যেসব কাজ কখনোই করবেন না ঃ 4

 

 

আপনি যাবেন তো যাবেনি তবে ইউরোপই কেন? হ্যা, কারণ আছে। সাধারণত আমাদের মতো তৃতীয় সারীর দেশের মানুষজন উন্নত জীবন ব্যবস্থা বা ভালো আর্নিংয়ের জন্য উন্নত দেশগুলোতে পাড়ি জমান। যাতে করে নিজের একটা স্মার্ট আয়ের ব্যবস্থা করে নিজে ও পরিবারের অন্য সদস্যদের জন্য ভালো জীবন ব্যবস্থা করা যায়।

 

 

না। ইউরোপীয় দেশগুলো উন্নত দেশ, উন্নত জীবন কালচার নিয়ে গর্বভরে নিজেদের নিয়ে তারা গর্বিত। হ্যা সত্যিই তারা গর্ব করার মতো অনেক কিছুই অর্জন করে নিয়েছে। তবে আপনার যদি খুব বেশি টাকা কামিয়ে নিজ দেশে ফিরে আসার প্ল্যান থাকে, তবে আপনি ইউরোপ যাবেন না। ওখানে ভাল আয় আছে, ভালো জীবন ব্যবস্থা আছে, ভাল পরিবেশ আছে, ভালো নাগরিক সুবিধা আছে কিন্তু রাতারাতি হিউজ টাকা কামানোর রাস্তা নেই। তাই আপনি অন্য দেশ পছন্দ করা উচিৎ।

 

 

উপায় আছে। আপনি কানাডা বা আমেরিকায় যেতে পারেন। ওখানে আনলিমিটেড কাজ করে আনলিমিটেড পয়সা কামাই করে, কর ফাঁকি দিতে পারলে রাতারাতি অনেক পয়াসার মালিক হবেন নিশ্চত। তবে ইউরোপে এটা পারবেন না। ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে আপনি নিয়ম মেনে কাজ, নিয়ম মেনেই কর আদায় করে চলতে হবে।

 

 

এইটা একটা জটিল প্রশ্ন। কত টাকা দিয়ে আপনি যেতে চান? আপনি যতো টাকা খরচ করে আপনি যেতে চান, ততো টাকাই লাগবে। ব্যাপারটা ইন্টারেস্টিং না? সত্যিই তাই। আপনি যদি ইউরোপ যেতে চান আপনার নিজেকে কিছুটা তৈরি করুন। কোনো একটি বিষয়ে মানে আপনি যে কাজে ইউরোপ দেশে যাবেন, সেই কাজটাকে ভালোবাসুন, কাজটায় নিজেকে দক্ষ করে তোলুন। কাগজপত্র যা যা লাগে তা রেডি রাখুন। টাকার হিসাবটা আপাত্ত দূরেই রাখুন।

 

 

এইটা হলো মূল টপিক। আপনি সব রেডি করেছেন। নিজেকে দক্ষ করেছেন, মোটামোটি ইংরেজি শিখেছেন। এখন সময় এসেছে ভিসার। ভিসা হলেই উড়াল দেবেন স্বপ্নের দেশে। হ্যা, আপনি জাস্ট চোখ বন্ধ করে ভাবুন তো – ভিসাটা দেয় কারা? কিভাবে দেয়?

 

আসেন আমি বলি- ভিসা দিবে ইউরোপ, জব অফার দেয় কোম্পানি, আপনার ইন্টারভিউ নিবে এম্বাসি। তাত তো?  তবে কেন আপনি দালাল ধরতে হবে?  একবার ভাবুন। নিজেকে প্রশ্ন করুন। উত্তর পেয়ে যাবেন।

 

 

আপনি আপনার সুন্দর একটা ইউরোপীয় স্টাইলের সিভি বা রিজিউমি বানিয়ে নিন। পাসপোর্ট নিন। সার্টিফিকেটগুলো সত্যায়িত করে নিন। জন্ম নিবন্ধনের কপি সত্যায়িত করে নিন। একটা কভার লেটার বানিয়ে নিন। ব্যাস। হাতের মোবাইলটা হাতে নিন।

 

এবার খুঁজে বের করুন ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে কোন কোম্পানি তাদের কাজের জন্য লোক নিয়োগ দিচ্ছে। সেখানে অনলাইনে আবেদন করুন। কিছু দিনের মধ্যেই তারা আপনার একটা ইন্টারভিউ নিবে। তারপর শুধু সময়ের অপেক্ষা করিন। ২০/৩০ দিনের মধ্যেই আপনি মনোনিত হলে আপনার জব অফার লেটার হাতে পেয়ে যাবেন।

 

জব অফার লেটার পাওয়ার পর আপনি নিকটতম ঐ দেশের এম্বাসিতে যাবেন। বাকি কাজ তারাই আপনার হয়ে করে দিবে। আপনাকে নির্ধারিত সময়ে তারা ভিসা প্রোভাইড করবে।

 

 

ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর ভিসা হাতে পাওয়া মানে হাতে সোনার হরিণ পাওয়া। আপনি এবার টিকেট করে নির্ধারিত দিনে, সময়ে উড়াল দিবেন স্বপ্নের দেশে। শুভ কামনা আপনার জন্য।

 

ইউরোপে যেসব কাজ কখনোই করবেন না ঃ

 

আপনি এখন ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে অবস্থান করছেন। আপনার জন্য ঐসকল দেশের প্রচলিত সকল আইন মেনে,  আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকেই চলতে হবে। এর বাহিরেও আপনি আপিনার কোম্পানির নির্ধারিত নিয়ম নীতিমালা মেনে চলতে হবে। কখনোই এসব নীতিমালা ভায়োলেন্ট করবেন না। তবেই আপনি আপনার লক্ষ্য পূরণে এগিয়ে যাবেন। ৩-৫ বছর পর আপনি পি আর পেয়ে যাবেন। দেন আপনি সেদেশের পাসপোর্ট পাওয়ার আবেদন করতে পারবেন।

আপনার পরিবার পরিজন নিয়ে বাকিটা জীবন চাইলে অখানেই কাটিয়ে দিতে পারবেন। 

 

ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে জানার জন্য পড়ুন।

 



Source link

Leave a Reply