Categories
টেকনোলজি

Top 6 Most Useful Gadget


গাইস প্রতিদিন আমরা অনেক ধরনের গ্যাজেট ইউস করে থাকি, গ্যাজেট আমাদের কাজকে ইজি করার সাথে সাথে আমাদের লাইফকে আরো অনেক বেশি এডভান্স বানিয়ে থাকে। দিনের শুরু থেকে রাত পর্যন্ত আমরা সবাই গ্যাজেট ইউস করে থাকি। আজকের গ্যাজেট সিরিজে জানতে চলেছেন Top 6 Most Useful Gadget সম্পর্কে। নিয়মিত Awesome Gadgets, Latest Gadgets, Most Useful Gadgets, New Gadgets সম্পর্কে জানতে আমাদের সাথে জুড়ে থাকুন।

Number 6. KY 907 Mini Drone

আজকের গ্যাজেট লিস্ট শুরু করবো একটি ইউনিক ডিজাইনের ড্রোন দিয়ে, নরমালি আমরা এরিয়াল ফটোগ্রাফি বা ভিডিওগ্রাফি অথবা ফানের জন্য ড্রোনের ইউজ করে থাকি বাট যদি আপনি বাজেটের মাঝে ইউনিক ডিজাইনের ড্রোন নিতে চান তাহলে দেখে নিতে পারেন এ স্মার্ট ড্রোনটি। ফাস্ট অফ অল ড্রোনটি সাইজে ছোট আর এটার ডিজাইন অনেকটাই কারের মতো করা হয়েছে যা দেখতে অনেক অ্যামেজিং লাগে। ড্রোনটি ফোল্ডেবল ফিচারের সাতেহ আসে এরফলে ইজিলি আপনার ফোল্ড করে কেরি করতে পারবেন। ওয়ানকে টেক অফ ফিচার এবং ওয়ানকে ল্যান্ডিং ফিচার এটার মাঝে দেওয়া হয়েছে এরফলে যেকেউ ইজিলি ফ্লাই করতে পারবে। এছাড়া এটার মাঝে ইন্টালিজেন্ট অবস্টিক্যাল এভয়েট ফিচার, এডজাস্টেবল ক্যামেরা, সেই সাথে এটাকে আপনার ফোন দিয়েই কন্ট্রোল করতে পারবেন, আর যদি চান এটার সাথে আসা রিমোর্টের হেল্পেও কন্ট্রোল করতে পারবেন। ড্রোনটির মাঝে পেয়ে যাবেন জেস্টার ফিচার কন্ট্রোল এরফলে হাতের ইশারায় ফটোস বা ভিডিও শুট করতে পারবেন। এছাড়া অন্যান্য ড্রোনের মতো এটার মাঝে সব ফিচার পেয়ে যাবেন, লাইক লাইভ ভিডিও ট্রান্সমিশন, মোবাইল কন্ট্রোল, জেস্টার ফিচার, রিচার্জেবল ফিচার, লাইভ রেকোর্ডিং ফিচার। গাইস ড্রোনটির উপরের দিকে দেওয়া LED লাইট ইফেক্ট এটাকে আরো অনেক কুল বানিয়ে থাকে, এরফলে রাতের সময়ও এটাকে ফ্লাই করতে পারবেন, আর এটার সাথে আসা কেরি ব্যাগি ইজিলি কেরি করতে পারবেন। অভার অল যদি আপনি এরিয়াল ফটোগ্রাফি বা ভিডিওগ্রাফি অথবা ফানের জন্য ইউনিক ডিজাইনের ড্রোন খুজে থাকেন তাহলে এটা আপনার জন্য পার্ফেক্ট চয়েস হয়ে যাবে। আর যদি বলা হয় ড্রোনটির প্রাইসের কথা তাহলে দারাজ থেকে মাত্র পাঁচ হাজার পাঁচশ (৫৫০০) টাকার মাঝেই পার্চেস করতে পারবেন।

Number 5. Smart Water Bottle

নরমালি আমরা পানি কেরি করার জন্য বা রেখে পান করার জন্য বোতলের ইউজ করে থাকি বাট যদি আপনি এক এডভান্স লেভেলের বোতল নিতে চান তাহলে দেখে নিতে পারেন এই স্মার্ট বোতলটি আর এটাকে স্মার্ট বলার কারণ হচ্ছে এটার মাঝে দেওয়া মাল্টিপল স্মার্ট ফিচার। ফাস্ট অফ অল বোতলটি বানানো হয়েছে স্টেনলেস স্টিক দিয়ে এরফলে সহজে নষ্ট হয়ে যাবেনা। এটার উপরের দিকে দেওয়া হয়েছে স্টেপারেচার সেন্সর মানে এটার মাঝে রাখা পানির টেম্পারেচার আপনি দেখতে পারবেন। এছাড়া এটার মাঝে যদি চান আপনি গরম পানিও রাখতে পারবেন আর এটার মাঝে রাখা গরম পানি অলয়েস গরম থাকবে মানে যেমন পানি রাখবেন তেমনি থাকবে। বোতলটির মাঝে দেওয়া হয়েছে এক ফিল্টার, যখন আপনি পানি রাখবেন ফিল্টার হয়ে যাবে। স্মার্ট এ বোতলটির হেল্পে আপনি নুডুস মেক করে খেতে পারবেন, এছাড়া আর ইনস্ট্যান্ট ফুড ভয়েল করে ইজিলি খেতে পারবেন, সেই সাথে চা কফি খাওয়ার অপশন তো রয়েছেই, যা বোতলটির মেইন ফিচার বলতে পারেন। দেখতে গুড লুকিং ইজি টু ইউজ অ্যান্ড ইজি টু কেরি হওয়ায় এ ধরনের বোতল ইনডোর হোক বা আউটডোর অনেক কাজে আসে, আর যদি চান আপনার বাচ্চাকে এজে গিফট দিতে পারেন, এছাড়া আউটডোরের জন্য পানি কেরি করার জন্য এটা বেস্ট স্মার্ট বোতল বলতে পারেন। আর যদি বলা হয় এটার প্রাইসের কথা তাহলে দারাজ থেকে মাত্র তিনশ পঁচানব্বই (৩৯৫) টাকার মাঝেই পার্চেস করতে পারবেন।

Number 4. Portable Juicer Blender

গাইস নরমালি আমরা জুস বা মসলা ব্লেন্ড করার জন্য বেশিরভাগ সময় বেল্ডারের ইউজ করে থাকি তবে এটা পসিবল হয়ে থাকে বাসার মাঝে বাট যদি আপনি আউটডোরে যান বা বাজেটের মাঝে ব্লেন্ডার নিতে চান তাহলে দেখে নিতে পারেন এ ব্লেন্ডারটি। ব্লেন্ডারটি পোর্টেবলভাবে ডিজাইন করা হয়েছে এরফলে এটাকে ইনডোর হোক বা আউটডোর ইজিলি কেরি করতে পারবেন। আর যদি বলা হয় এটাকে ইউজের কথা তাহলে সিমপ্লি অন্য সব ব্লেন্ডারের মতোই ইউজ করতে পারবেন। প্রথমে ফল মুল কেটা বা কিউব করে এটার মাঝে দিতে হবে এরফলে অন্যান্য সব দিতে হবে যা জুসের মাঝে খেতে চান এরপরে অন করে দিলেই ব্লেন্ড হওয়ায় শুরু করে দিবে। ব্লেন্ডারটি বিশেষ ফিচার হচ্ছে এটা রিচার্জেবল এরফলে চার্জ করে যেকোণো প্লেসে নিয়ে ইউজ করতে পারবেন। গাইস এ ধরনের ব্লেন্ডার আউটডোরের জন্য সত্যি অনেক কাজের গ্যাজেট হয়ে থাকে, জুস বা অন্য কিছু ব্লেন্ড করার জন্য। আর কাজ শেশ হয়ে গেলে এটাকে ইজিলি ওয়াশ করে নিতে পারবেন। সাইজে ছোট এরফলে ইজিলি কেরি করতে পারবেন। যদি বলা হয় ব্লেন্ডারটির প্রাইসের কথা তাহলে দারাজ থেকে মাত্র ছয়শ আশি (৬৮০) টাকার মাঝেই পার্চেস করতে পারবেন।

Number 3. RGB Rhythm Light

নরমালি আমরা রুম ডেকোরের জন্য হোক বা ডেক্স লাইটের ইউজ অনেক বেশি করে থাকি আর যদি আপনি এক এডভান্স লেভেলের লাইট নিতে চান তাহলে দেখে নিতে পারেন এ লাইট্টি। ফাস্ট অফ অল এটা RGB লাইট এরফলে এটার মাঝে ডিফ্রেন্ট কালারের লাইট ইফেক্ট দেখতে পাবেন। লাইট্টির মেইন ফিচার হচ্ছে এটা মিউজিকের সাথে সিং হয়ে থাকে মানে মিউজিকের সাথে গ্লো করে থাকে যা দেখতে অনেক কুল লাগে। লাইট্টির মাঝে এইট্টিন ডিফ্রেন্ট কালার ইফেক্ট পেয়ে যাবেন আর এটা আপনার কথার সাথে গ্লো করে থাকবে। গাইস এ ধরনের লাইট ডেস্ক সেটাপে অনেক ইউজফুল হয়ে থাকে। রিচার্জেবল ফিচার থাকায় ইজিলি যেকোণো প্লেসের মাঝে স্টিক করে রাখতে পারবেন, আর যখন মিউজিক প্লে করবেন এটা গ্লো করবে। লাইট্টির মাঝে ডিফ্রেন্ট গ্লো প্যাটান দেওয়া হয়েছে, আর এটাকে আপনি ম্যানুয়ালি চ্যাঞ্জ করতে পারবেন। গাইস যদি আপনি ইউটিউবার হয়ে থাকে বা আপনার রুমের জন্য ইউনিক ডিজাইনের লাইট খুজে থাকেন যা আপনার কথার সাথে বা মিউজিকের সাথে গ্লো করবে তাহলে এটা ট্রাই করতে পারেন। আর যদি বলা হয় এ লাইট্টির প্রাইসের কথা তাহলে দারাজ থেকে মাত্র তিনশ পঁচানব্বই (৩৯৫) টাকার মাঝেই পার্চেস করতে পারবেন, যা প্রাইসের দিক দিয়ে একদমি কম বলতে পারেন।

Number 2. 998 Mavic Pro Drone

নাম্বার টুর গ্যাজেট্টি রাখা হয়েছে একটি ড্রোন আর এটা একটি বাজেট ফ্রেন্ডলি ড্রোন তবে এটার মাঝে আপনি মাল্টিপল স্মার্ট ফিচার পেয়ে যাবেন। ড্রোনটি ফোল্ডেবল এরফলে ইজিলি ফোল্ড করে কেরি করতে পারবেন, আর এটার মাঝে দেওয়া হয়েছে দুটি ক্যামেরা, একটা মেইন ক্যামেরা আরেকটি বোটন ক্যামেরা, এরফলে সামনের ভিউয়ের সাথে সাথে নিচের ভিউও ক্যাপচার করতে পারবেন। ড্রোনটির মাঝে পেয়ে যাবেন ওয়ানকে টেকঅফ ফিচারের সাথে সাথে ওয়ানকে ল্যান্ডিং ফিচার। সেই সাথে এটার রিমোর্ট কন্ট্রোলারের মাঝে আপনার ফোন এটাচ করে লাইভ ভিডিও দেখতে পারবেন, সেই সাথে রেকোর্ডও করতে পারবেন, যদি চান ফটোও ক্লিক করতে পারবেন। থ্রি সিক্সটি ডিগ্রি রোটেশন ফিচার, ফিক্স হাইট ফ্লাইট মোড ফিচার, অবস্টিক্যাল অ্যাভয়েট ফিচারের মতো এডভান্স ফিচার এটার মাঝে পেয়ে যাবেন। এছাড়া আরো অনেক ধরনের এডভান্স ফিচার এটার মাঝে দেওয়া হয়েছে, আর ফ্লাই করা শেষ হয়ে গেলে ফোল্ড করে ইজিলি কেরি করতে পারবেন। গাইস বাজেটের মাঝে এরিয়াল ফটোগ্রাফির জন্য এ ধরনের ড্রোন সত্যি অনেক ইউজফুল হয়ে থাকে। আর যদি বলা হয় এটার প্রাইসের কথা তাহলে দারাজ থেকে মাত্র পাঁচ হাজার (৫০০০) টাকার মাঝেই পার্চেস করতে পারবেন।

Number 1. Lume Cube

গাইস ফটোগ্রাফি অ্যান্ড ভিডিওগ্রাফি দিন দিন বেড়েই চলেছে, বাট অনেক সময় দেখা যায় লাইটের প্রব্লেম কারণ ফটো পার্ফেক্ট হয় না। যদি আপনি চান পার্ফেক্টভাবে ফটো বা ভিডিও শুট করতে তাহলে ইউজক করতে পারেন এ ধরনের এডিশনাল লাইটকে। নরমালি ক্যামেরার মাঝে ফ্ল্যাশ দেওয়া হয়ে থাকে বাট এতোটা পাওয়াফুল হয়ে থাকে না। আর যদি আপনি ইউজ করেন এ ধরনের পকেট লাইটকে তাহলে যেকোনো DSLR এর সাথে ইজিলি এটাচ করতে পারবেন। এটা সিক্সটি LED লাইটের এক বান্ডেল হয়ে থাকে আর এটার সাইজে প্রায় এক ক্রেডিট কার্ডের মতো হয়ে থাকে, এর ফলে মিনি এ গ্যাজেটকে ইজিলি যেকোনো জায়গায় নিয়ে যেতে পারবেন। এটার পিছের দিকে এক ছোট সাইজের স্কিন দেওয়া হয়েছে এখানে ব্যাটারি পারসেন্টেস অ্যান্ড ইন্টেসিটি দেখতে পাবেন। সেই সাথে এ লাইটের ব্রাইটনেসকে আপনার প্রয়োজনের একোর্ডিং এডজাস্ট করতে পারবেন। এছাড়া এ লাইটির মাঝে ডিফ্রেন্ট টাইপের কালার ইফেক্ট পেয়ে যাবেন আপনার পছন্দের হিসেবে কালার চয়েস করে ফটো বা ভিডিও শুট করতে পারবেন। গ্যাজেটি ছোট হলেও অনেক কাজের হয়ে থাকে যারা ভিডিও ব্লগিং করেন তাদের জন্য অনেক বেস্ট অপশনে হয়ে যাবেন এটা। আর যদি বলা হয় এটার প্রাইজের কথা তাহলে চার হাজার সাতশ টাকার মাঝেই পার্ছেস করতে পারবেন।

গাইস আইহোপ আজকের Top 6 Most Useful Gadget লিস্টি আপনাদের অনেক ভালো লেগেছে। নিয়মিত Awesome Gadgets, Latest Gadgets, Most Useful Gadgets, New Gadgets সম্পর্কে জানতে আমাদের সাথে জুড়ে থাকুন।





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published.